দাত ব্যাঁথা সহজেই চলে যাবে যা করলেঃ
বয়স বৃদ্ধির সাথে পাল্লা দিয়ে দাত ব্যাথাও বাড়তে থাকে, চলুন দেখি একে কিভাবে জয় করা যায়ঃ
আমাদের এই কর্পোরেট লাইফের সাথে আমরা নিজেদের প্রতি মূহুর্তে মিলিয়ে চলার চেষ্টা করছি কিন্তু আমাদের শরীরটা অর্গানিক! এই অর্গানিক শরীরে রাসায়নিক খাবার, রাসায়নিক ঔষুধ যদিও তাৎক্ষণিক ফল দিচ্ছে বা সুস্থতা অনুভব করছি। কিন্তু এইসব রাসায়নিক উপাদান আমাদের অর্গানিক শরীরে এবং অর্গানিক পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা তৈরী করছে। তাই আমাদের উচিত অর্গানিক তথা প্রাকৃতিক উপায়ে সমাধান করা যাতে আমরা প্রাকৃতিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে পারি। চলুন এইবার দাঁতের সমস্যা কিছু করনীয় দেখে নেইঃ
১। দাঁত ব্রাশ কম পক্ষে তিন বার, তবে দুই মিনিটের বেশি নয়, ব্রাশ শুরু করার দুই মিনিট আগে দাঁতে পেস্ট লাগিয়ে রাখুন, ফ্লস্ক ব্যবহার করুন।
২। রসুন কিংবা লং অথবা হলুদের গুড়া বা লবণ আক্রান্ত দাঁত দিয়ে চিবিয়ে কিছুক্ষণের জন্য রাখি, দাঁত ব্যথা কমে যাবে।
৩। মাঝারি গরম পানিতে ফিটকিরি মিশিয়ে কুলি করি, এক গ্লাস পানি নিয়ে কমপক্ষে পাঁচ মিনিট ধরে, ব্যাঁথা সাথে সাথে সেরে যাবে।
৪। মেসওয়াক দিয়েও দাঁত ব্রাশ করি (আসল যয়তুনের ডাল খুব তুল তুলে হয়, যা ব্রাশে আরাম ও ঔষুধীগুন দুটোই দিবে)।
৫| বামের মাড়ির দাঁত ব্রাশ করতে গাড় যতদূর সম্ভব ডানে বাঁকা করুন; আবার ডানের মাড়ির দাঁত ব্রাশ করতে গাড় যতদূর সম্ভব বামে বাঁকা করুন; আবার দাঁতের ভিতরের পাশ পরিষ্কার করতে বড় করে হা করুন। তবেই সকল দাঁত পরিষ্কার থাকবে।
এই কাজগুলো নিয়মিত করি।
জেনে রাখা ভালো: আমাদের নবী স: দৈনিক পাঁচ বার মেসওয়াক করতেন, ঘরে এলে মেসওয়াক করেই তারপর বের হতেন। এছাড়াও তিনি , উম্মতের কষ্ট না হলে প্রত্যেক নামাজের পূর্বে মেসওয়াক করা ফরজ করে দিতেন, তার মানে দৈনিক পাঁচ বার!!!

3 Comments
উপকৃত হলাম! থ্যাকস্
ReplyDeleteJazakallah
Deleteما شاء الله
ReplyDeleteجزاك الله خيرا